গাজরের উপকারিতা ও অপকারিতা ২০২৪

গাজর

Last Updated on 7th April 2024 by Mijanur Rahman

আসসালামুয়ালাইকুম পাঠকবৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমরা জানবো গাজরের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। আমরা সবাই সুস্থ থাকতে চাই। আর এজন্য দরকার পুষ্টিকর খাদ্য। বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও ফলমূলে থাকে এমন কিছু পুষ্টি যা দেহের অভ্যন্তরীণ ক্ষয়রোধ করে ও দেহকে সুস্থ রাখে। এমন একটি উচ্চ পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি হলো গাজর। গাজরে অন্যান্য সবজির তুলনায় একটু বেশি উপকারী ও পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। আসুন জেনে নেই গাজর সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

গাজর

গাজর হলো একটি জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি। এটি বিভিন্ন দেশে লাল , সাদা , হলদে রঙের পাওয়া গেলেও আমাদের দেশে পাওয়া যায় কমলা রঙের গাজর। এটি একটি মূলজাতীয় সবজি। এর ইংরেজি নাম Carrot এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Daucus carota. শীতকালীন সবজি হলেও গাজর এখন সারাবছরই পাওয়া যায়। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক গাজরই চীনে উৎপাদিত হয়। বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ মাটি গাজর চাষের জন্য উপযোগী।

গাজর অন্যান্য সবজির তুলনায় দেখতে বেশি আকর্ষণীয়। এর রঙের কারণে এটি দেখতে খুবই সুন্দর। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ গাজর শরীর সুস্থ রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও সৌন্দর্য চর্চায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

গাজরের উপকারিতা
গাজর

গাজরে থাকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিটাক্যারোটিন। সাধারণত কোনো সবজিতে সরাসরি ভিটামিন এ থাকে না। ভিটামিন এ এর কাজ বিটাক্যারোটিন করে থাকে। আর এই বিটাক্যারোটিনই গাজরে খুব বেশি পরিমাণে থাকে। গাজর সালাদ ও তরকারি হিসেবে খাওয়া হয়।  আবার গাজর দিয়ে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার তৈরি করা যায়। তবে রান্না করা গাজরের চেয়ে কাঁচা গাজর খাওয়া বেশি ভালো।

প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে থাকে-  ৪১ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি , ৮২৮৫ মাইক্রোগ্রাম বিটাক্যারোটিন, ২.৮ গ্রাম খাদ্যআঁশ , ৫.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২.২ মিলিগ্রাম আয়রন, ১৩.২ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে, ০.০৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১,০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ ,১৯ মাইক্রোগ্রাম ফলেট, ৩২০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ১২ মিলিগ্রাম ফসফরাস,৩৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম।

গাজরের উপকারিতা

অসংখ্য পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ গাজর খেলে শরীর সুস্থ থাকার পাশাপাশি সৌন্দর্যও  বৃদ্ধি পাবে। কারণ এতে থাকা ভিটামিন,খনিজ পদার্থ ও ফাইবার শরীরের নানা ধরনের জটিলতা দূর করে ও দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করে দেহকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া গাজরে বিদ্যমান ভিটামিনসমূহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে ও ত্বককে উজ্জ্বল, মসৃণ ও কোমল করে‌ তোলে।

এবার চলুন ধারাবাহিকভাবে জেনে নেই গাজরের অসাধারণ গুনাগুণ সম্পর্কে।

দেহের সুস্থতায় গাজর

  • গাজরে থাকা আঁশ গ্লুকোজ মেটাবলিসমের উন্নতি ঘটায় যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত গাজর খাওয়া উচিৎ।
  • গাজর হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই দীর্ঘমেয়াদী বদহজম ও ডায়রিয়ার সমস্যা দূরীকরণে গাজর খুব ভালো কাজ করে।
  • লিভারের রোগীদেরও গাজর খাওয়া উচিৎ কারণ লিভারের সমস্যায় খাদ্য পরিপাকে সমস্যা দেখা দেয় , যা গাজর খাওয়ার মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে রোগীকে গাজরের স্যুপ খাওয়ানো যেতে পারে।
  • গাজর চোখের স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ রাতকানা রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
  • গাজরে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোকেমিক্যালস যার মূল উপাদান হলো বিটা ক্যারোটিন ও কিছু ধরনের ক্যারোটিনয়েড। এই ফাইটোকেমিক্যালস দেহে ক্যান্সার প্রতিরোধী প্রোটিনসমূহকে সক্রিয় করে। এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও ক্যান্সারের কোষ নির্মূল হয়।
  • গাজরের জুস খেলে শরীর থেকে ফ্যাট বার্ন হয়ে যায় ফলে ওজন কমে। তাই যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তাদের ব্যায়ামের পর বা হাঁটার পর গাজরের জুস খেলে উপকার পাবেন।
  • গাজরে প্লাক-ফাইটিং কেরাটিন ও ভিটামিন এ বেশি পরিমাণে থাকার কারণে এটি সুক্ষ্ম দাঁতের এনামেলকে শক্তিশালী করে তোলে।এটি দাঁতের গোড়ায় ক্যালকুলাস জমতেও বাধা প্রদান করে।
  • নিয়মিত গাজর খেলে দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়
  • গাজর খাওয়ার সময় আমাদের মুখে ‘সিলভা’ নামক একটি যৌগের নিঃসরণ ঘটে। এই সিলভা মুখে অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে ও দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
  • নিয়মিত গাজর খেলে হজমসংক্রান্ত কোনো রোগ দেহে থাকতে পারবে না। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত গাজর খেলে তারা এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। এছাড়াও যাদের পাইলস রয়েছে তারাও গাজর খেলে উপকার পাবেন।
  •  গাজর রক্তস্বল্পতা দূর করে কারণ এতে রয়েছে আয়রন যা রক্ত ক্ষয় দূর করে ও রক্ত পরিষ্কার রাখে।
  • গাজর শ্বাসনালীর প্রদাহ নিরাময় করে ও ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
  • এটি দেহের বিভিন্ন ক্ষয়পূরণে এন্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে।
  • নিয়মিত গাজর খেলে পেটে কৃমির সংক্রমনের ঝুঁকি কমে যায়।
  • গাজরে থাকা পটাশিয়াম ব্লাডসুগার নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রাখে। এতে করে হৃদপিন্ড ও সুস্থ থাকে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে
  • গাজরে বিদ্যমান ভিটামিন সি শরীরের এন্টিবডি তৈরিতে কাজে আসে। এই এন্টিবডি দেহের ইমিউনিটি সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।
  • এর মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন কে দাঁত ও হাড় মজবুত করে।
  • গাজরের রস দেহের চর্বির পরিমাণ কমিয়ে আনে। তাই যারা ওজন কমাতে চান তারা অবশ্যই গাজরের রস পান করবেন।
  • গাজরে থাকা পটাশিয়াম,ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি খনিজ লবণ আমাদের নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত করে ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  •  গাজরে থাকে ডায়েটরি ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ধমনির ওপর কোনো কিছুর আস্তরণ পড়তে দেয় না ফলে রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে।
  • কোনো বড় অস্ত্রোপচার বা অপারেশনের  পর শরীরে রক্তের ঘাটতি হয়। আর এই ঘাটতি পূরণে গাজর খুব উপকারী।
  • গাজর খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমে যায়
  • যাদের গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য গাজর মহৌষধ হিসেবে কাজ করে।
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে গাজরের সাথে কয়েক কোয়া রসুন খেলে উপকার পাওয়া যায়।
  • গাজরে থাকা আলফা ক্যারোটিন ও লুটিন নামক উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
  • শিশুদের শরীরের পুষ্টি এবং বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য গাজর খুব ভালো কাজ করে। এক্ষেত্রে শিশুদের গাজরের জুস বানিয়ে খাওয়াতে পারেন।
  • গর্ভাবস্থায় গাজরের রস পান করা অনেক ভালো। এছাড়াও যেসব মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের উচিত দৈনিক গাজরের রস পান করা। এতে তাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হবে না।
  • গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, যা আপনার অনাগত শিশুর হাড় এবং তরুণাস্থির গঠনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি খনিজ পদার্থ।
  • গাজরে বিদ্যমান ফাইবার কোলন পরিষ্কার রাখে।
  • এছাড়াও গাজর ত্বকে উপকারী কোলেস্টেরলের বা লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
  • গাজরে বিদ্যমান ফলিক অ্যাসিড গর্ভের সন্তানের স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশেও সাহায্য করে।
  • গাজর রক্তের প্রধান উপাদান আরবিসিকে দীর্ঘজীবী করে। এর ফলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে।
  • গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তাল্পতা, পেশির খিঁচুনি হওয়া, ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যার সমাধান দিতে পারে গাজর ।
  • শিশুদের গাজরের রস খাওয়ালে দাঁত বেরোতে কষ্ট হয় না আর দুধও ঠিকমতো হজম হয়।
  • শরীরের কোথাও কেটে গেলে সেখানে কুচি করা বা সিদ্ধ গাজরের পেস্ট লাগালে সেটা এন্টিসেপ্টিকের মতো কাজ করে দ্রুত ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
  • সর্দি কাশি বা যেকোনো অসুস্থতার কারণে কানে ব্যাথা হতে পারে। এজন্য গাজর , কলা,আদা ও রসুন একসাথে সেদ্ধ করে ২-১ ফোটা কানে ব্যবহার করলে ব্যাথা কমে যাবে।
গাজরের গাছ
গাজরের গাছ

ত্বকের সৌন্দর্যে গাজর

শরীরের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও গাজর দারুন ভূমিকা রাখে। নিয়মিত গাজর খেলে আপনার ত্বকে আপনি লক্ষনীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

  • গাজরে থাকা পটাশিয়াম শুষ্ক ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করে ত্বককে মসৃণ ও চকচকে করে।
  • গাজরে রক্ত পরিষ্কারক গুণ থাকার কারণে এটি খেলে ত্বক ফর্সা হয় ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
  • গাজরে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট স্কিন টোনকে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।
  • গাজরের পুষ্টি উপাদান ত্বকের পোড়া ভাব দূর করার ক্ষমতা রাখে।
  • খাওয়ার পাশাপাশি গাজরের  নানা ধরনের ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে নিয়মিত লাগালে অনেক ভালো ফল পাওয়া যাবে।
  • গাজরের রস ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে ত্বককে সতেজ ও টক্সিনমুক্ত রাখে।
  • গাজরে বিদ্যমান অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট ত্বক শুকিয়ে যাওয়া রোধ করে এবং ত্বককে করে তোলে সুস্থ ও সতেজ।
  • অ্যালোভেরা ও গাজরের রস মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বকে নতুন কোলাজেন তৈরি হয়, যা বয়সের ছাপ দূর করে ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করে।
  • গাজরে বিদ্যমান ক্যারোটিন ও ক্যারোটিনয়েড ত্বককে সূর্যের রশ্মি থেকে বাঁচায় ও ত্বকের কালো দাগ দূর করে।
  • ত্বক ও শরীরের রুক্ষতা দূর করতে গাজরের রস মুখসহ সারা শরীরে মেখে ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে গায়ের রং উজ্জল হবে ও যেকোনো কালো দাগ দূর হবে।

চুলের যত্নে গাজর

চুলের যত্নেও শীতকালীন এই সবজির জুড়ি নেই। গাজরে থাকা নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান চুলের নানা সমস্যা দূর করে।

  • গাজরে থাকা ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ চুলের গোড়া মজবুত করে
  • গাজরে আছে ভিটামিন এ ও ভিটামিন ই যা মাথার তালুর রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • গাজর খাওয়ার পাশাপাশি এর তেল ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য গাজর গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে জলপাই তেলের সঙ্গে মিশিয়ে একসপ্তাহ ঠান্ডা ও অন্ধকার স্থানে রেখে দিতে হবে। এসময়ে তেলের রং হবে গাজরের মতোই উজ্জ্বল কমলা রঙের। তারপর তা ছেঁকে নিয়ে অনেক দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।
  • লম্বা ,ঘন ও ঝলমলে চুল করার ইচ্ছা যদি আপনার থাকে তবে দৈনিক খাদ্য তালিকায় অবশ্যই এক গ্লাস গাজরের রস রাখার চেষ্টা করুন।
চুলের যত্নে গাজর
চুলের যত্নে গাজর

গাজরের অপকারিতা

গাজরে যেমন অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে তেমনি এর অতিরিক্ত ব্যবহার অনেক সময় দেহের নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। আমরা জানি , কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া বা ব্যবহার করা ভালো না। সেটা যেকোনো জিনিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তেমনি গাজরে নানা পুষ্টি উপাদান থাকা স্বত্বেও এটি অতিরিক্ত খেলে বা ব্যবহার করলে দেহে কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি পর্যন্ত হতে পারে।


গাজর খাওয়ার গাজরের উপকারিতা ও গুনাগুন

  • প্রচুর পরিমাণে গাজর খাওয়ার ফলে ত্বকের রঙে পরিবর্তন আসতে পারে, ত্বকের রং হলদে হয়ে যেতে পারে।
  • শিশুরা বেশি গাজর খেলে তাদের দাঁত ক্ষয় হতে পারে।
  • গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন যা অন্ত্রে বেশি পরিমাণে উপস্থিত থাকলে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
  • গরমের দিনে বেশি গাজর খেলে উচ্চ রক্তচাপ ও অনিদ্রা দেখা দিতে পারে।
  • যারা বাচ্চাকে দুধ পান করান তাদের অতিরিক্ত গাজর খাওয়ার ফলে তাদের দুধের স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে।
  • বেশি পরিমাণে গাজর খেলে বদহজম, ডায়রিয়া, বমিসহ নানা পাকস্থলীর পাচনজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • গাজর থেকে অনেকের এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে
  • গাজরের কেন্দ্রে থাকা হলুদ অংশটির বিভিন্ন উপাদানের কারণে অনেক সময় পেট ব্যথা ও পেটে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই গাজর অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

শেষকথা

গাজরের উপকারিতা যেমন অনেক তেমনি এর কিছু ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। সবসময় চেষ্টা করবেন কাঁচা গাজর খেতে। এতে করে এর মধ্যে থাকা পুষ্টিগুণ অক্ষুন্ন থাকে। তবে বেশি পরিমাণে গাজর না খাওয়াই ভালো। আবার যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে বা যেসব মায়েরা বাচ্চাদের দুধ পান করান তাদের গাজর খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

Author

Scroll to Top