হাই প্রেসার এর লক্ষণ ও প্রতিকার ২০২২

হাই প্রেসার

আসসালামুয়ালাইকুম পাঠকবৃন্দ। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকের আলোচ্য বিষয় হলো হাই প্রেসার এর লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে।  আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক ধরনের কাজের চাপ থাকে। এর কারণে আমাদের মধ্যে স্ট্রেস চলে আসে , মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। যার ফলশ্রুতিতে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ।

এই সমস্যাটি যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। আমাদের মধ্যে অনেকেই নিজের অজান্তেই এই বাজে সমস্যায় ভুগছেন।  তাই এর সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা সবারই উচিত। তো চলুন জেনে নেয়া যাক হাই প্রেসার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

Table of Contents

হাই প্রেসার কি

হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ হলো একটি জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যা। এর মাধ্যমে শরীরের রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। রক্তের স্রোত রক্তনালীর মধ্যে যে চাপের সৃষ্টি করে তাকে রক্তচাপ বলে। সারা বিশ্ব জুড়ে উচ্চ রক্তচাপ সাইলেন্ট কিলার হিসেবে পরিচিত। আমাদের দেশে অনেক সংখ্যক মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

হাই ব্লাড প্রেশার মাপার জন্য দুটি মান ব্যবহার করা হয়। একটি হলো সিস্টোলিক প্রেসার,যার সংখ্যা বেশি থাকে।  আরেকটি হলো ডায়াস্টলিক প্রেশার ,যার সংখ্যা কম থাকে। আমাদের প্রতিটি হৃদস্পন্দনের সাথে সাথে রক্তনালীতে একবার সিস্টোলিক প্রেসারও আরেকবার ডায়াস্টলিক প্রেশার সৃষ্টি হয়। একজন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০ মি.লি মার্কারি।

কিন্তু কারো যদি এই মান বেশি হয়ে ১৪০/৯০ বা এর থেকে ও বেশি হয়ে যায় তখন বুঝতে হবে যে তার হাই ব্লাড প্রেশার রয়েছে।

হাই প্রেসারের কারণ

হাই ব্লাড প্রেশার হওয়ার মূল কারণ হলো অতিরিক্ত চিন্তা ও মানসিক চাপ। অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়ার কারণে আমাদের দেহের আর্টিরিয়ালস নামক একটি ধমনী পাতলা হয়ে যায় ও সেই সময় হৃদপিন্ডকে রক্ত পাম্প করার জন্য বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এই অবস্থার কারণেই উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি হয়।  চিকিৎসকদের মতে , যদি এই ধমনীর সঠিক চিকিৎসা করা না হয় তবে এটি থেকে হার্ট অ্যাটাক , হার্ট স্ট্রোকের মতো মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। এজন্য হাই প্রেসার এর লক্ষণ সম্পর্কে সবারই জানা জরুরী। হাই প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ দুইভাবে বাড়তে পারে।

১) অ্যাকিউট হাই ব্লাড প্রেসার

এ ধরনের প্রেশার হঠাৎ কোনো উত্তেজনা বা অন্য কোনো কারণে বাড়তে পারে। কোনো কারণে শক খেলে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যায়, যার কারণে হার্ট স্ট্রোকও হতে পারে।

২) ক্রনিক হাই ব্লাড প্রেসার

এ ধরনের ব্লাড প্রেশারের ক্ষেত্রে হঠাৎ করে রক্তের প্রেশার বাড়ে না। দীর্ঘদিন রক্তে প্রেশার থাকার কারণে এটি হার্টের পেশিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে। কারণ রক্তনালীতে তখন বেশি রক্তের চাপ সৃষ্টি হয়। এর কারণে রক্তনালীগুলো ও শক্ত হয়ে যেতে পারে। ফলে রক্তনালীর ভেতরের দেয়াল শক্ত হয়ে ব্লকের সৃষ্টি করে।সব মিলিয়ে এক সময় হার্ট ফেইলর বা হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেতে পারে।

**উচ্চ রক্তচাপের মূল কারণ হলো অতিরিক্ত ওজন, বাড়তি মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমানো, ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড গ্রহন ইত্যাদি।

হাই প্রেসার এর লক্ষণ

হাই প্রেশারের একটি বড় ক্ষতিকর দিক‌‌‌ হলো এটির তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। তবে এমন কিছু লক্ষণ রয়েছে যা দ্বারা ধারনা করা যাবে আপনার হাই প্রেসার আছে কি না। এগুলো বুঝতে পারলে পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী  নিজের সঠিক যত্ন নিতে হবে।

মাথা ব্যথা

হাই প্রেশারের একটি সাধারণ লক্ষণ হলো মাথা ব্যথা। কারো রক্তচাপ যদি ১৮০/১২০ হয় তবে তার মাথায় প্রচন্ড যন্ত্রনা হতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে , হাই ব্লাড প্রেসার ম্যালিগন্যান্ট হাইপার টেনশন নামের একটি অবস্থার দিকে নিয়ে যায়। এরকম অবস্থায় রক্তের ধমনীর অভ্যন্তরীণ চাপ গুরুতর মাত্রায় সৃষ্টি হয় যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক মাথা ব্যথার সৃষ্টি করে । হাই প্রেশারের মাথা ব্যথা কমানো খুব কঠিন। এজন্য যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

চোখে ঝাপসা দেখা

হাই প্রেশারের আরেকটি লক্ষণ হলো চোখে ঝাপসা দেখা। এটি মূলত তীব্র মাথা ব্যথার কারণে সৃষ্টি হয়। উচ্চ রক্তচাপ দৃষ্টি শক্তির ওপর প্রভাব ফেলে‌। এটি চোখের রক্তনালীগুলো ক্ষতিগ্রস্থ করে দেয়। এর ফলে দেখা দেয় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি নামক সমস্যার । যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাই প্রেশারের চিকিৎসা না করালে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তির অবনতি ঘটতে থাকে।

বুকে ব্যথা

হাই ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ হলে অনেক সময় বুকে অনেক ব্যথা হয়। উচ্চ রক্তচাপের কারণে বুকে ব্যথা হলে একে এনজাইনা বলা হয়। এটি সাধারণ বুক ব্যথার মতো না। এ ধরনের ব্যথা বুকে চাপ সৃষ্টি করে, বুক ভারী মনে হয়, চেপে আসে ও অনেক ব্যথার সৃষ্টি করে। হাই প্রেশারে হৃদপিন্ডে রক্ত চলাচল কমে যায় তাই এই এনজাইনার সৃষ্টি হয়।

হাই প্রেসার এর লক্ষণ
হাই প্রেসার এর লক্ষণ

ক্লান্তি ও অবসাদ

দীর্ঘদিন টানা ক্লান্তি ও অবসাদ কখনোই ভালো লক্ষণ হতে পারে না। এর পেছনে কোনো না কোনো কারণ থাকেই। ক্লান্তি ও অবসাদ দেহের প্রতিটি অসুখের সাথেই জড়িত। হাই প্রেশারের রোগীরা অনেক ক্লান্তিতে ভোগেন। অনেকে এটাকে অবহেলা করেন। কিন্তু এ লক্ষণ অবহেলা করে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না।

নাক দিয়ে রক্ত পড়া

অনেক দিন হাই প্রেশারে ভোগার কারণে রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। হঠাৎ করে কারো নাক দিয়ে রক্ত পড়া স্বাভাবিক বিষয় নয়। তাই এটাকে অবহেলা করাও উচিত নয়।

ঘাড় ব্যথা

হাই প্রেশারের আরেকটি লক্ষণ হলো ঘাড়ে ব্যথা। এধরনের লক্ষণ অনেকেই অবহেলা করেন । কিন্তু এটি হাই প্রেশারের কারণে হয়ে যে অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে সে সম্পর্কে অনেকে জানেনই না। তাই ঘাড়ে ব্যথা হলে সেটাকে অবহেলা না করাই ভালো।

বমি বমি ভাব

হাই ব্লাড প্রেসার হলে রোগীর বমি বমি ভাব হতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই  চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অনেক সময় বেশি ব্লাড প্রেসার বেড়ে গিয়ে বমি হয়ে যেতে পারে যা রোগীর জন্য খুবই ক্ষতিকর।

ঘুমাতে না পারা

হাই প্রেশারের কারণে রোগীর ঘুম ঠিকমতো হয় না। এছাড়াও ক্লান্তি ও অবসাদ থাকার কারণে ঘুমাতে চাইলেও সে ঘুমাতে পারে না।এটি হাই ব্লাড প্রেশারের কারণেই হয়ে থাকে।

হাঁপিয়ে ওঠা

হাই ব্লাড প্রেশারে আক্রান্ত রোগী অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে। কোনো পরিশ্রমের কাজ না করলেও তাদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয় ও বুক ধড়ফড় করে। এ ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই তা অবহেলা করবেন না। এটি উচ্চ রক্তচাপের কারণে হয়ে থাকে যা অবহেলা করা ঠিক নয়।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

হাই ব্লাড প্রেশার বেশি হয়ে গেলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। রক্তের ধমনীর মধ্যে খুব বেশি চাপ সৃষ্টি হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য হাই ব্লাড প্রেশারের রোগীর কোনোভাবেই হঠাৎ করে উত্তেজিত হয়ে পড়া যাবে না।

হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি কারণ এর কারণে রোগীর মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। কারো যদি হাই ব্লাড প্রেসার থাকে তবে তাকে অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। আর যদি কারো হাই ব্লাড প্রেসার না থাকে সেও যদি একই নিয়ম অনুযায়ী জীবন যাপন করে তবে তার ভবিষ্যতে আর হাই প্রেসার হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। হাই প্রেসার থেকে বাঁচতে যেসব নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে:

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

দেহের অতিরিক্ত ওজনের কারণেই উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি হাই প্রেশারের মূল কারণ। তাই শরীরের ওজন যেনো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি না হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে সঠিক পরিমাণে সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

জাঙ্ক ফুড বা বাইরের খাবার পরিহার করতে হবে

জাঙ্ক ফুডে থাকে অতিমাত্রায় চর্বি ও চিনি , যা দ্রুত শরীরে চর্বি জমা করে দেহকে স্থুল করে দেয়। জাঙ্ক ফুড অতিমাত্রায় গ্রহন করলে এর মধ্যে থাকা চর্বি রক্তনালীগুলোতে ব্লকের সৃষ্টি করে যা হাই ব্লাড প্রেসার এমনকি হার্ট ফেইলিউর পর্যন্ত করতে পারে। বাইরের খাবারে পুষ্টিগুণের চেয়ে নানা ধরনের জীবাণু ও ক্ষতিকর পদার্থ থাকে যা সহজেই দেহে প্রবেশ করে নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে। তাই অবশ্যই এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে

নিয়মিত শরীরচর্চা বা ব্যয়াম করলে দেহে থাকা চর্বি ও মেদ কমে যায়, যা ওজন কমাতে সহায়ক‌। হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয় , যা নিয়মিত ব্যয়াম করার মাধ্যমে সম্ভব। এক্ষেত্রে নিয়মিত হাঁটা হাটি করলেও তা শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী এবং ওজন কমাতেও সহায়ক।আর ওজন কমালে হাই প্রেশারের ঝুঁকিও কমে।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়া যাবে না

হাই প্রেশার মূলত এই কারণেই বেশি হয়ে থাকে। যারা অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেন তাদের হাই প্রেশারের ঝুকি বেশি থাকে। এজন্য যথাসম্ভব মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। এজন্য নিয়মিত মেডিটেশন করতে পারেন, এতে রক্তচাপও কম থাকবে এবং হার্টও ভালো থাকবে।

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন করুন

পটাশিয়াম শরীর থেকে লবনের প্রভাব কমায়। তাই হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন করা উচিত।এতে শরীরের অতিরিক্ত লবণ দেহের ক্ষতি করতে পারবে না।

এছাড়াও পটাশিয়াম রক্তনালীর প্রাচীরকে টান টান প্রসারণ থেকে মুক্ত করতে সাহায্য করে যা হাই ব্লাড প্রেসার কমাতে সহায়ক। তাই যারা হাই ব্লাড প্রেশারে আক্রান্ত তারা বেশি পরিমাণে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহন করার চেষ্টা করুন।

ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ: কেন হয়, লক্ষণ ও কমানোর উপায়

একটানা বসে থাকবেন না

দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে শরীরে অনেক রোগ বাসা বাঁধে। যেমন: স্থুলতা, হাই ব্লাড প্রেসার,হাই কোলেস্টেরল,উচ্চ রক্ত শর্করা ইত্যাদি। এজন্য একটানা বসে থাকা ঠিক নয়। তবে যাদের দীর্ঘ সময় বসে কাজ করতে হয় তাদের উচিত কিছুক্ষণ পর পর হালকা হাঁটা হাটি বা ব্যয়াম করা।এতে দেহের মাংসপেশীগুলো সক্রিয় থাকবে এবং হাই প্রেশারের ঝুঁকি কমবে।

ধূমপান ও মদ্যপান করা থেকে বিরত থাকুন

আমরা সবাই জানি , ধূমপান ও মদ্যপান হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান ও মদ্যপান করলে তা শরীরে স্বল্পমেয়াদে রক্তচাপ বাড়ায়। তবে দীর্ঘদিন ধূমপান ও মদ্যপান করলে তা দীর্ঘমেয়াদি হাই ব্লাড প্রেশারে রুপান্তরিত হয়ে যায়। আবার ধূমপানের সময় ধূমপায়ীর কাছে থাকলেও তা রক্তনালীর মধ্যে চর্বির স্তর সৃষ্টি করে যা হাই ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে তুলতে পারে।

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে যা করা উচিত

যাদের হাই ব্লাড প্রেসার রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করতে হবে। তবে হঠাৎ করে যদি ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায় তবে অবশ্যই রোগীকে বিশ্রাম নিতে হবে। মাথায় ঠান্ডা পানি দিলে রোগী আরাম পেতে পারেন। অনেকে তেঁতুলের বা লেবুর শরবত পান করে থাকেন । এটিও ভালো উপকারি। তবে ব্লাড প্রেসার বেড়ে গেলে এসব কাজের মাধ্যমে সাময়িক আরাম পেলেও পরবর্তীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়,

নিরব ঘাতক এই হাই ব্লাড প্রেসার অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেসার দেহের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এজন্য ব্যয়াম ও সঠিক নিয়মে জীবন যাপন হলো হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণের এক কার্যকর উপায়।

Author

You cannot copy content of this page