ডোমেইন কি

ডোমেইন কি? ডোমেইন এর কাজ কি? আল্টিমেট গাইড

অনলাইনে এখন আমরা প্রায় যে শব্দটা শুনি সেটা হচ্ছে ডোমেইন। ডোমেইন শব্দটার বানান যেমন ই হোক শুনতে ইংরেজী শব্দ Name “নেইম” এর মতো। যার অর্থ হচ্ছে নাম। হ্যা ঠিকই ধরেছেন, ডোমাইন হচ্ছে একটা নাম। আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো এই ডোমেইন সম্পর্কে বিস্তারিত, ডোমেইন কি? কিভাবে ডোমেইন কাজ করে? ইত্যাদি। তাহলে চলুন দেখে নেই ডোমেইন কি

ডোমেইন

কোন ওয়েবসাইটের হোস্ট নেইম WWW এর পর থেকে শুরু করে .COM বা এক্সটেনশনের আগ পর্যন্ত যে নাম থাকে, সেটা হল ডোমেইন। আরো সহজ করে বললে, ডোমেইন হল কোন ওয়েবসাইটের নাম। যে নামটা হল ইউনিক। ইউনিক নামের মানে হচ্ছে এক নাম দুইটা ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবে না। শুধু মাত্র একটি ওয়েবসাইট কোন একটি নির্দিষ্ট নাম ও এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারবে।

যেমন ধরেন, আমাদের ওয়েব সাইটের নাম হচ্ছে www.sylhetism.com, এখানে www হচ্ছে হোস্ট নেইম, আর .COM হচ্ছে ডোমেইন এক্সটেনশন। আর sylhetism হচ্ছে মেইন ডোমেইন। sylhetism ডোমেইনটা যেহেতু আমি ব্যবহার করতেছি ঠিক একই নামের ডোমেইন আপনি কিনতে গেলে তা রেজিস্টার করতে পারবেন না। অবশ্যই আপনাকে ভিন্ন একটি ডোমেইন বা এক্সটেনশন কিনতে হবে।

ডোমেইন কি
ডোমেইন এক্সটেনশন

ডোমেইন ইতিহাস

এবার আসুন ডোমেইনের ইতিহাসের দিকে একটু নজর দেওয়া যাক। বিশ্বের প্রথম নিবন্ধিত ডোমেইন হচ্ছে Symbolics.com যেটি ১৯৮৫ সালের ১৫ মার্চ প্রথম সফলভাবে নিবন্ধিত হয়। এটাই প্রথম ব্যবহৃত ডোমেইন না, এর আগে ১৯৮৫ সালের ১ জানুয়ারি Nordu.net ডোমেইনটি রুট সার্ভার হিসাবে প্রথম ডোমাইন ব্যবহার করে। তবে যখন ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন শুরু হয় তখন Symbolics.com ডোমেইনটি সর্বপ্রথম নিবন্ধিত হয়। তাই Symbolics.com ডোমেইনটিই বিশ্বের প্রথম রেজিস্টারড ডোমেইন। এবং দ্বিতীয় ডোমেইন হিসাবে Bbn.com রেজিস্টারড হয় ১৯৮৫ সালের ২৪ এপ্রিল।

১৯৯২ সালের দিকে শুধু ডট কম নামের এক্সটেনশনের ডোমাইন সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১৫০০০ হাজারের মতো, ২০১০ সালে ২০৫.৩ মিলিওন এবং ২০১৭ সালে ৩৩০.৬ মিলিওন ডোমেইন নিবন্ধিত হয়।।

যেভাবে কাজ করে

আমরা জানলাম ডোমাইন কি, এবং ডোমেইনের ইতিহাস, এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক ডোমাইন কিভাবে কাজ করে। ডোমেইন নেইম কিভাবে কাজ করে জানতে হলে আপনাকে প্রথমে জানতে হবে আইপি এড্রেস সম্পর্কে। ইন্টারনেট চলে এমন প্রত্যেকটা ডিভাইসের নির্দিষ্ট একটা ঠিকানা আছে, যাকে আমরা চিনি আইপি এড্রেস হিসাবে। আইপি এড্রেসগুলি দেখতে 103.134.192.13 এমন নাম্বারের মতো। মোবাইল বলেন, কম্পিউটার বলেন, ওয়েব সার্ভার বলেন সবার নির্দিষ্ট একটা আইপি নাম্বার থাকে। আর এই আইপি নাম্বারগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে।

ত আমাদের প্রত্যেক ওয়েব সার্ভারের একেকটি আইপি নাম্বার আছে, উদাহারণ হিসাবে বলা যায়, sylhetism.com ওয়েবসাইটের ছিলো একটি আইপি নাম্বার যা আমরা DNS (Domain Name System) এর মাধ্যমে আইপি নাম্বার থেকে একটি ইউজার ফ্রেন্ডলি নামে রুপান্তরিত করেছি। তাছাড়া আমরা যদি কোন ডোমেইন নেইম না কিনতাম তাহলে আপনাকে আমাদের ওয়েব সাইটে আসতে হলে আমাদের ইউনিক আইপি নাম্বার ব্রাউজারে টাইপ করে আসতে হতো।

প্রত্যেকটি ডোমেইন নেইমের রয়েছে একটি ইউনিক আইপি নাম্বার, যা মনে রাখা অনেক কষ্টসাধ্য, তাই যেনো সহজে মনে রাখা যায় এমন নাম দিয়ে আমরা DNS এর মাধ্যমে আইপি নাম্বার থেকে আইপিকে একটি সুন্দর নামে রুপান্তর করে থাকি।

ডোমেইন ও হোস্টিং

ডোমেইনের নাম আসলে সাথে সাথে হোস্টিং এর নাম চলে আসে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে ডোমেইন ও হোস্টিং কি এক? উত্তর হচ্ছে না। ডোমাইন হচ্ছে কোন ওয়েব সাইটের নাম। আর হোস্টিং হচ্ছে ইন্টারনেটের যেখানে আপনি ওয়েবসাইট হোস্ট করেন। আরো সহজ করে বললে হোস্টিং হচ্ছে একটি ভাড়া বাসার মতো, যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সব জিনিষপত্র (কন্টেন্ট, ফটো, কোড, প্লাগিন) রাখেন। কাজেই ডোমেইন আর হোস্টিং আলাদা। তবে একটি ওয়েব সাইট চালাতে আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং উভয় ই দরকার। রিলেটেডঃ ভিপিএস হোস্টিং কি? জেনে নিন সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ

ডোমেইন ও হোস্টিং
হোস্টিং

ডোমেইন প্রকারভেদ

ইন্টারনেটের প্রচার ও প্রসারের ফলে আমরা অনেক ধরনের ডোমেইন দেখতে পাই, এই সেকশনে আমরা দেখবো কি কি ধরনের ডোমেইন আমরা কিনতে পারবো, এবং কোন ধরনের ডোমেইনের কি কাজ বা ডোমেইন কত প্রকার ও কি কি।

টপ লেভেল ডোমাইন

১৯৮৫ সালে IANA (Internet Assigned Numbers Authority) ৬টি টপ লেভেলের ডোমেইন ঘোষণা করে। এই টপ লেভেল ডোমাইন (TLD) এক্সটেনশন হিসাবে পরিচিতি পায়। এক্সটেনশন হচ্ছে .COM, .NET, .EDU, .ORG, .MIL, .GOV, চলুন দেখে নেই এই টপ লেভেলের ডোমেইন কেন ও কিভাবে ব্যবহার করা হয়।

.COM

ডট কম এক্সটেনশনের ডোমেইন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডোমেইন। এই ডোমেইনটি প্রথম টপ লেভেল ডোমাইন যা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে অধিক জনপ্রিয়তার ফলে এই ডোমেইনটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ছাড়াও আরো অনেক সেক্টরে ছড়িয়ে পড়ে, এবং এখন মোটামুটি সবাই এই ডোমেইন ব্যবহার করতে পারে।

.NET

ডট নেট এক্সটেনশনটি নেটওয়ার্কিং কম্পানির জন্যে তৈরি করা হয়েছিলো। যেসব কোম্পানি নেটওয়ার্কিং প্রোভাইডার বা সার্ভিস নিয়ে কাজ করে শুধু তাদের জন্যে। এবং এই স্পেশাল টপ লেভেল ডোমেইন এখনো একই কাজের জন্যেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

.EDU

এই টপ লেভেল ডোমেইন এক্সটেনশনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যে তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যে, পর্বতীতে স্কুল কলেজেও এই ডোমেইন ব্যবহার শুরু হয়। এই ডোমেইন চাইলেই যে কেউ কিনতে পারবে না। এই ডোমেইন কিনতে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিছু কাগজ পত্রাদি দরকার হতে পারে।

.ORG

.ORG ডোমেইন এক্সটেনশনটি মূলত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি করা হয়েছিলো, সময়ের সাথে সাথে সমাজের বিভিন্ন সম্পদায় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করা শুরু করে।

.MIL

এই টপ লেভেলের এক্সটেনশনটি বিশেষ করে আমেরিকান মিলিটারির জন্যে তৈরি করা হয়েছিলো, এবং এখনো এভাবেই আছে।

.GOV

.GOV দেখে বুঝতেই পারছেন এটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্যে, হ্যা ঠিকই ধরেছেন, এবং এই এক্সটেনশন বিভিন্ন দেশের সরকারি ওয়েবসাইটেই বেশি ব্যবহার করা হয়।

ccTLD বা দেশভিত্তিক ডোমেইন

ccTLD মানে হচ্ছে Country code top-level domains। এই ডোমেইনগুলির এক্সটেনশন তৈরি করা হয় কোন দেশের নামের দুইটা অক্ষর দিয়ে। যেমন .UK, .AU, .BD, এখানে এই কোডগুলি দ্বারা যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশকে বুঝানো হয়। কান্ট্রি বেইজ ডোমেইন এক্সটেনশনগুলি কোন ডোমেইন নামের শেষে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে সেই দেশের নাগরিকদের জন্যেই শুধু তৈরি করা হয়। তবে বর্তমানে কিছু দেশ আছে সেই দেশের নাগরিক ছাড়াও বিশ্বের সব মানুষের জন্যেই উন্মুক্ত করে দিয়েছে। যেমন .UK নামের ডোমেইন যে কেউ চাইলে কিনতে পারবে। নিচে কিছু দেশভিত্তিক ডোমেইনের নাম দেওয়া হল।

  • .Uk (যুক্তরাজ্য)
  • .Us (আমেরিকা)
  • .Au (অষ্ট্রেলিয়া)
  • .It (ইটালি)
  • .Za (সাউথ আফ্রিকা)
  • .Bd (বাংলাদেশ)

IDN ccTLD

Internationalized country code top-level domains (IDN ccTLD) বা আন্তর্জাতিক টপ লেভেল ডোমেইনগুলি শুধু মাত্র সেই দেশের নন ল্যাটিন স্ক্রিপ্টে ব্যবহার করে। যেমন চায়নার টপ লেভেল ডোমেই হল .CN, তবে তাদের দেশের স্ক্রিপ্টে সেটি হবে . 中国।

gTLD

Generic top-level domains (gTLD) ডোমেইন সাধারণত হয় .pro, .biz, .name, .aero, .cat, .asia, .mobi, .coop, .travel, .tel, .jobs এমন। এই ডোমেইনগুলি বিভিন্ন নির্দিষ্ট ব্যবসা বা কমিউনিটিকে নির্দেশ করে থাকে।

এছাড়াও রয়েছে Second-level domains, Third-level domains, সাব ডোমেইনস যেগুলি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়।

ডোমেইন ক্রয়
ডোমেইন ক্রয়

ডোমেইন ক্রয়

এই পর্যায়ে এসে আমরা মোটামুটি ডোমেইন সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা পেলাম, চলুন দেখে নেওয়া যাক এবার ডোমেইন কিভাবে ক্রয় করবেন, কোথায় ক্রয় করবেন, বা ডোমেইন কিনতে কি কি লাগবে। তাহলে চলুন দেখে নেই কিভাবে একটি ডোমেইন ক্রয় করবেন।

ডোমেইন ক্রয় করার জন্যে আপনাকে প্রথমেই পছন্দ করতে হবে যারা ডোমেইন বিক্রি করে তাদের। বাংলাদেশে অনেক কোম্পানি আছে যারা লকালি ডোমেইন বিক্রি করে। তবে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বাংলাদেশের কোন কোম্পানিকে রিকমান্ড করিনা। তাই ডোমেইন কিনার আগে আপনাকে সবচেয়ে বেশি যেটা ভাবতে হবে সেটা হলো কোন কম্পানি থেকে ডোমেইন কিনবেন। আমি নিচে কিছু ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির নাম দিচ্ছি যেখান থেকে ডোমেইন কিনলে ভালো সার্ভিস পাবেন এবং কন্ট্রোল প্যানেল নিজের হাতে পাবেন, যখন ইচ্ছা তখন কোম্পানি পরিবর্তনও করতে পারবেন, যেখানে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো থেকে কিনলে অনেক ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তো সে বিদেশি কোম্পানিগুলি ও তাদের ওয়েবসাইট হলোঃ

  • Domain.com
  • GoDaddy.com
  • Namecheap.com
  • Name.com
  • Google Domains
  • Enom.com
  • Dynadot.com
  • NameSilo.com
  • 123 Reg
  • Bluehost.com

এছাড়াও রয়েছে আরো শত শত কোম্পানি, তবে বিশ্বের বেশিরভাগ ডোমেইন উপরের কোম্পানিগুলি থেকে কিনা হয়, এবং আপনি চোখ বন্ধ করে তাদের কাছ থেকে ডোমেইন কিনতে পারেন। আশা করি ঠগবেন না।

ডোমেইন কিনতে কি কি লাগে?

ডোমাইন কিনতে মূলত তেমন বেশি কিছু লাগে না। যে কেউ চাইলেই একটি ডোমেইনের মালিক হতে পারে, এবং নিজের নামে নিবন্ধন করতে পারে। ডোমেইন কিনার সময় যদি আপনি কোন বিদেশি কোম্পানি থেকে কিনেন তাহলে সেখানে ডোমেইনের ফি দেওয়ার জন্য আপনার মাস্টার্ড কার্ড, পেপাল বা কোন ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি দরকার হতে পারে। মানে সোজা কথায় একটা পেমেন্ট সিস্টেম দরকার হবে। যা দিয়ে আপনি ডোমেইন ফি ও বাৎসরিক রিনিউ ফি পে করতে পারবেন।

ডোমেইন ফি

একটা টপ লেভেলের ডোমেইন সাধারণত ৮-৯ ডলার হয়ে থাকে। কোম্পানিভেদে দাম কম বেশি হয়ে থাকে। এবং প্রত্যেক বছর ডোমেইনগুলি রিনিউ বা পুনরায় কিনতে হয়, যার ফি সাধারণত ১২-২০ ডলার হয়ে থাকে। আর যে জিনিষটা বেশি প্রয়োজন সেটি হলো একটি ইন্টারন্যাশনাল কার্ড বা পেপাল, যা দ্বারা আপনি এই ডোমেইনগুলি কিনতে পারবেন।

ডোমেইন নিবন্ধন ব্যবসা

ডোমেইন দিয়ে আবার ব্যবসা করা যায়? হ্যাঁ যায়। বাংলাদেশের অনেক কোম্পানি পাবেন যারা ডোমেইন নিবন্ধন ব্যবসা করে থাকে। আর এই ব্যবসা চাইলে যে কেউ করতে পারবে। সে জন্যে আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হবে এবং এককালীন কিছু টাকা ICANN কে ফি বাবদ দিতে হবে। এবং ICANN এর বাৎসরিক যে ফি আছে সেটা বছর বছর দিয়ে যেতে হবে। এটি অনেক লাভজনক ব্যবসা, তবে আপনার ডোমেইন ইন্ড্রাস্ট্রি সম্পর্কে অবশ্যই পাকা জ্ঞান থাকতে হবে। ডোমেইন নিবন্ধন ব্যবসা সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে দেখুন এই লেখাটি

ডোমেইন ইনভেস্টমেন্ট

ডোমেইনে ইনভেস্টমেন্ট করা যায়? হ্যাঁ করা যায়, ঠিকই শুনেছেন। আমার কাছে মনে হয় এটিই বিশ্বের মধ্যে একমাত্র ইনভেস্টমেন্ট যা থেকে আপনি আনলিমিটেড রিটার্নস পাবেন। যেমন ধরুন আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন নিয়মিত ফি ৮ থেকে ১০ ডলার দিয়ে। তখন এই ডোমেইনের মালিকানাটি আপনার, এখন আপনি যদি কোন আগ্রহী ক্রেতা খোজে পান তাহলে এই ৮ ডলারের ডোমেইনটি আপনে কয়েকশো কোটি টাকা দিয়ে বিক্রি করতে পারবেন। এতো রিটার্নস আর কোন ইনভেস্টমেন্ট থেকে ফেরত পাবেন না।  যা শুধু মাত্র ডোমেইন ইনভেস্টমেন্টেই সম্ভব।


ডোমেইন ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে একটা ভিডিও।

এই জায়গায় বলে রাখা উচিত, সব ডোমেইন ই এতো দামে বিক্রি হয় না, শুধু মাত্র ব্রান্ডডেবল ডোমেইনগুলিই বেশি দামে বিক্রি হয়ে থাকে। এই ইনভেস্টমেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত লেখতে গেলে আরো একটি আর্টিকেল হয়ে যাবে, তো আপনারা আগ্রহী থাকলে গুগলে কিংবা ইউটিউবে সার্চ করে এই বিষয়ে আরো রিসার্চ করতে পারেন। এবার দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দামি ডোমেইনগুলি, যা মাত্র ৮-১০ ডলারে কিনা হয়েছিলো এবং বিক্রি করা হয়েছে যত দামে।

ডোমেইন নাম
বিক্রিত দাম
CarInsurance.com
$49.7 million
Insurance.com
$35.6 million
VacationRentals.com
$35 million
PrivateJet.com
$30.18 million
Voice.com
$30 million
Internet.com
$18 million
360.com
$17 million
Insure.com
$16 million
Fund.com
£9.99 million
S e x.com
$14 million

শেষ কথা

ডোমেইন নিয়ে লেখাটি এইখানেই শেষ করছি। যেকেউ কোন ওয়েবসাইট খুলতে চাইলে তার অবশ্যই একটা ডোমেইন দরকার। আমার এই লেখা আশা করি তাদের উপকারে আসবে যারা ডোমেইন সম্পর্কে অজ্ঞ। আর এই উপকারটুকু হলেই আমার লেখাটি সফল। আজকের মতো বিদায় এখানেই। সবাই ভালো থাকবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

You cannot copy content of this page