লম্বা হওয়া

লম্বা হওয়ার উপায়, মাত্র ১ মাসে দেখুন পরিবর্তন

আজকাল অনেকেই লম্বা হওয়ার উপায় নিয়ে খুবই চিন্তিত থাকে। অনেকে রীতিমতো মন খারাপ করে থাকে লম্বা হওয়া নিয়ে। মনে মনে ভেবে থাকে, আমি যদি আর একটু লম্বা হতে পারতাম তাহলে  আমাকে আরও একটু সুন্দর দেখাতো। তবে লম্বা মানুষকে অনেকটা তার সাস্থ্যগত দিক থেকে  সৌন্দর্যমণ্ডিত করে থাকে। তবে, উচ্চতা বাড়ানোর জন্য আসলে কনো ম্যাজিক কাজ করে না। আপনি কতটুকু লম্বা হবেন তার অনেকটাই  নির্ভর করবে আপনার জিন বা বংশগত কারনে।   আপনি যদি নিজের শরীরের ঠিকমতো খেয়াল রাখেন,  নিয়মিত শরীরকে বিশ্রাম দিয়ে থাকেন,  তাহলে অনেক সময় আপনার শরীর কিছুটা প্রাকৃতিক ভাবে হলেও বাড়বে । তবে তার জন্য দরকার আপনার নিজের শরীরেকে সুস্থ রাখা। অসুস্থময় শরীর অনেক সময়   স্বাভাবিকের চেয়ে কম উচ্চতা বহন করে থাকে।

লম্বা হওয়া

লম্বা হওয়ার একটি সুনির্দিষ্ট কিছু বয়স থাকে যে বয়সে মানুষ লম্বা হওয়া সাধারণত  শুরু হয়। প্রাকৃতিক নিয়মে সাধারণত কিশোর-কিশোরী  বয়স থেকে  শুরু হয়। তখন তারা প্রাকৃতিক নিয়মে প্রায় ৭ থেকে ১০ ইঞ্চির মত বৃদ্ধি পায়। তাই সেই সময়টাতেই বেশি করে তাদের নিজের শরীরের যত্ন রাখতে হবে এবং ভালো ভালো খাবার খেতে হবে লম্বা হওয়ার জন্য। নিচের আর্টিকেলটি হলো কিভাবে  লম্বা হওয়া যায়  এবং খাবার গুলো কি কি সেই সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা  হবে। এই আর্টিকেল পড়ে অনেক উপকার পাবেন বলে আমি আশা রাখি-

লম্বা হওয়া সাধারণত ,,  আপনার ৬০ পার্সেন্ট বা ৮০ পার্সেন্ট হয়ে থাকে বা আপনার পিতা মাতা আপনাকে যে ডিএনএ  এনে দিয়েছেন তা দ্বারা হয়ে থাকে।

এখান থেকেই আপনি লম্বা বা বৃদ্ধি হতে পারবেন ৬০% আর বাকিটুকু আপনি ২০ পার্সেন্ট লম্বা হতে পারবেন আপনার আশেপাশের পরিবেশ দ্বারা বা আপনি কতটুকু চেষ্টা করছেন।এর মাধ্যমে এটি প্রমাণিত হয় যে,  আপনার শরীর আপনি কতটুকু  ঠিক রাখছেন,  আপনি কতটুকু ঘুমাচ্ছেন,  ঠিকমতো ঘুমাচ্ছেন কিনা ঠিকমতো খাচ্ছেন কি না এগুলো অনেকটাই নির্ভর করে থাকে আপনার লম্বা  বা উচ্চতা হওয়ার জন্য। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে,  একটি নির্দিষ্ট বয়স পার হওয়ার পর আপনার পেশীর বা হাড়ের  বৃদ্ধি গুলো বন্ধ হওয়া শুরু করে।

মহিলাদের সাধারণত ১৮  বছর হওয়ার পরেই এই পেশিগুলো বৃদ্ধি বন্ধ হওয়া শুরু হয়ে থাকে। কিন্তু অপর  গবেষণায় দেখা গিয়েছে,  পুরুষরা সেই বয়সের পর থেকে আরো লম্বা হওয়া শুরু হয়ে থাকে এবং পেশীর শক্তি বাড়তে  করে।

লম্বা হওয়ার উপায়

 ✅ লম্বা হওয়ার উপায় ✅

যে  উপায়ে আপনি আপনার উচ্চতা বাড়াতে পারবেন। নিচে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হলো আর্টকেলটিতে-

পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম

লম্বা হওয়ার উপায় এর মধ্যে প্রথমেই হচ্ছে ঘুম। আপনার শরীরের হিউম্যান গ্রোথ বা লম্বা হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম খুবই দরকারি। তাই আপনি যদি লম্বা হওয়াকে খুব গুরুত্বসহকারে নিয়ে থাকেন তবে আপনাকে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে।

  • স্কুল বয়সী শিশুদের সাধারণত  প্রতিদিন ১০ থেকে ১১ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।
  • এবং যারা কিশোর বয়সী অথবা যাদের ১৮ বছর বয়সের কম তাদের অন্তত প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।

সঠিক উপায় ব্যায়াম করা

শরীরের কে সুস্থ রাখার জন্য অথবা লম্বা হওয়ার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ব্যায়াম করা। শরীরের ব্যায়াম নিয়মিত করলে বা সঠিক উপায়ে করলে অবশ্যই আপনি একটু হলেও লম্বা হবেন তবে আপনি যদি কিশোর বয়স থেকে সঠিকভাবে ব্যায়াম করার চেষ্টা করেন তাহলে আপনাকে খুবই দ্রুত লম্বা হওয়ার জন্য অধিকতর সাহায্য হবে। কম বয়সে সব কিছুই দ্রুত কাজ করে থাকে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,  জাম্পিং বা লাফানো অথবা ১০ মিনিট ধরে দৌড়ানো ব্যায়ামগুলো লম্বা হওয়ার জন্য খুবই উপকারী হিসেবে কাজ করে। এগুলো আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করবে।

স্বাস্থ্যগত নিয়ম মেনে চলা

সঠিক উপায়ে লম্বা হওয়ার জন্য কিছু স্বাস্থ্যগত নিয়ম ও মাঝে মাঝে মেনে চলতে হয়। যেমন- আপনি আপনার বেকবোন কখনোই বাঁকা  করবেন না সবসময় সোজা রেখে চলাচল করার চেষ্টা করবেন।তাছাড়া আপনি আপনার পা সব সময় সোজা করে দাঁড়ানোর বা হাটার চেষ্টা করবেন এবং পেটের পেশী সংকুচিত  করার চেষ্টা  করে করবেন। এগুলোও  আপনাকে  আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করবে। এবং রাতারাতি উচ্চতা না বাড়লেও কিছু হলেও কাজ করবে।

কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, রং কিছুটা উচ্চতা বাড়াতে প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন-  কালো রং,  নীল রং গুলোর  সময় লম্বা  দেখায়। রঙ গুলো ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য।

– তাছাড়া, যে খাবার গুলো খেলে আপনি লম্বা হতে পারবেন তা আর্টিকেলে বিস্তাটিত ভাবে দেওয়া হলো

সুষম খাবার বা প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া

আপনি যদি প্রচুর পরিমাণে সুষম খাদ্য অথবা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে  লম্বা হতে  অনেক সাহায্য করবে বা প্রভাবিত করবে। এর জন্য আপনাকে প্রথমত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে। বাহিরের পিজ্জা এসব জাতীয় খাবার খেলে শরীর আপনার অসুস্থ হয়ে পড়বে।সাধারণত আপনি যদি  সালাতের সাথে যদি আপনি কিছু সুষম খাদ্য তৈরি করে থাকেন সেটি আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।  আর যদি এসব খাদ্য আপনার আপনার রুচিতে সমস্যা করে বা খেতে যদি ইচ্ছা না করে তাহলে নিজের বাসায় বানিয়ে আপনি স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করুন যা  মজাদার হবে এবং উচ্চতা বৃদ্ধিতে আপনাকে সহায়তা করবে। আপনি অবশ্যই আপনার খাবারের যে তালিকা তৈরি করবেন সেখান থেকে আপনাকে অবশ্যই  চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে। এবং আপনাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

প্রোটিন হল এমন একটি জিনিস যা আপনার হাড়  এবং আপনার পেশীকে  খুবই দ্রুত লম্বা হতে বা আপনার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সেজন্য আপনাকে সবসময় প্রোটিন খাদ্য তালিকা গুলো খুজে বের করতে হবে  অথবা প্রোটিন গ্রুপ তালিকা থেকে খুঁজে বের করে আপনাকে প্রোটিনগুলো খাদ্যতালিকায় নিতে হবে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে,  আপনার নির্দিষ্ট বয়স এবং আপনি আপনি কতটুকু ব্যায়াম করছেন সেই অনুযায়ী আপনি আপনার তালিকাগুলো তৈরি করবেন।

উদাহরণ হিসেবে আমরা বলতে পারি-

  • ৯ থেকে ১৮বয়সী মেয়েদের জন্য প্রায় প্রতিদিন ৫ আউন্স এর অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
  • ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সী ছেলেদের জন্য পাঁচ আউন্স পরিমাণ নির্ধারিত করা যেতে।
  •  ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছেলেদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৬.৫  আউন্স নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

উচ্চতা বা লম্বা হওয়ার জন্য যে প্রোটিন খাবার গুলো আমাদের দরকার তার মধ্যে কয়েকটি খাবারের তালিকা হলো-  মাছ, মাংস, ডিম,  বাদাম ইত্যাদি।

ভিটামিন ডি3
ভিটামিন ডি3

ভিটামিন ডি খাবার গ্রহণ

আপনাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি খেতে হবে। ভিটামিন ডি এর খাবার গুলো উচ্চতা  বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি আপনার হাড় ও পেশীকে খুবই শক্তিশালী করে তুলবে। সাধারণত যারা কিশোর বয়সী মেয়ে আছে অথবা বাড়ন্ত বয়সী  মেয়েরা রয়েছে তাদের  জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চতা বৃদ্ধিতে। বিভিন্ন গবেষণায় তা প্রমাণিত হয়েছে। আপনি যদি প্রাকৃতিক ভাবে পেতে চান তবে সরাসরি সূর্যের আলো  ভিটামিন ডি পাওয়া ভালো।

বিশেষ করে খুব ভোর বেলায় বা সকাল ৬ টার সময়। এটি ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও  সাহায্য করে।

সামুদ্রিক মাছ খাবার গ্রহন

সামুদ্রিক মাছ খাবারগুলো লম্বা হওয়ার জন্য খুবই উপকারী হিসেবে কাজ করে। তাই আপনি যদি খুব সহজেই লম্বা হতে চান বা লম্বা হওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন অবশ্যই সামুদ্রিক মাছ খাবেন।বিশেষ করে শেল ফিশ।

ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার গ্রহণ

আপনি যদি  লম্বা হওয়ার জন্য চেষ্টা করে  থাকেন অথবা  খুব দ্রুত লম্বা হতে  চান  আপনাকে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খেতে হবে। ক্যালসিয়াম হাড় ও পেশি শক্তি বৃদ্ধি করতে খুবই সহায়ক হিসেবে কাজ করে থাকে।

– ক্যালসিয়াম খাবার সাধারণত বেশিরভাগ দুধের তৈরি খাবার তৈরি হয়ে থাকে।

ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার যেমন দুধের তৈরি খাবার সাধারণত ছেলেদের  ৯ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের খাওয়ানো হয়। মেয়েদের দিনে তিন কাপ দুধ খাওয়া উচিত।

খুব বেশি যেগুলো চর্বিযুক্ত খাবার দুধের তৈরি সেগুলো সাধারনত ছোট বয়সীদের জন্য খুবই উপকারী হিসেবে কাজ করে কারণ ছোট বয়স থেকেই সাধারণত লম্বা হওয়ার কার্যকারিতা শুরু হয়ে থাকে। উদাহরণ হিসাবে আমরা বলতে পারি-  ক্রিম,  পনির,  মাখন এগুলো হচ্ছে সবচেয়ে উচ্চ ক্যালরী  চর্বিযুক্ত ক্যালসিয়াম খাবার।

তাছাড়া ক্যালসিয়াম এর মধ্যে আরো অনেক খাবার রয়েছে যেমন-  পালং শাক বা বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি ইত্যাদি।

আপনাকে সুস্থ উপায়ে  লম্বা হওয়ার জন্য  অবশ্যই কিছু কিছু চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। এমন কিছু গবেষণা  করে পাওয়া গিয়েছে- যে কিছু অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার ও লম্বা হতে বাধা সৃষ্টি করে থাকে।

বিশেষ করে আপনি যদি বাহিরের প্রতিদিন   জাঙ্কফুড -যেমন চিজ,  বার্গার এগুলো খেয়ে থাকেন এগুলো  স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ ফলাফল  বয়ে আসতে পারে। যদি প্রতি উইকে বা মাসে একবার আপনার বিনোদনের জন্য এসব খাবার খেয়ে থাকেন তবে কিছু হবে না বলে মনে করি। অনেক সময় সুস্থ বিনোদেনও শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই যাচাই বাচাই করে বা খাবারের মান ভালো এমন জায়গা খুজার চেষ্টা করবেন।

দুধ
দুধ

ভিটামিনযুক্ত ক্যাপসুল খাবার গ্রহণ

সুস্থভাবে বা সঠিক উপায়ে লম্বা হওয়ার জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন  ক্যাপসুল খাবার সাথে যোগ করতে  হবে। সঠিক ভাবে  লম্বা হওয়ার  জন্য বা শরীরে   মাল্টিভিটামিন অথবা ভিটামিন ডি যুক্ত ক্যাপসুল   খুবই উপকারী হিসেবে কাজ করে থাকে থাকে।

এই ভিটামিনগুলো শুধুমাত্র লম্বা হওয়ার জন্যই  নয় আপনার শরীরের হাড় বৃদ্ধি, ত্বকের সৌন্দর্য,  চোখের গ্লুকোমা সহ আরো অনেক কিছুর জন্য খুবই চমৎকার ঔষুধ হিসাবে কাজ করে থাকে। তবে মনে রাখবেন  অবশ্যই আপনি ভিটামিনগুলো খাওয়ার আগে বা আপনার লম্বা জনিত কোন সমস্যা থাকলে আপনি অবশ্যই ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিয়ে খাবেন।


লম্বা হওয়ার সবথেকে সহজ ও বৈজ্ঞানিক উপায় 

ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলা

সবসময় মনে রাখবেন কখনো কোন সময় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ খাবেন না। অনেক সময় দেখা যায় অনেক  ভন্ড হুজুর অনেক সময় বলে থাকে যে,  আপনার লম্বা  হওয়ার  সমস্যার জন্য আপনাকে এই ওষুধটি দিচ্ছি বা এই পানি পড়া আপনি  খাবেন। এগুলো হলো  আগের যুগের ধ্যান-ধারণা এগুলো কখনোই বিশ্বাস করা উচিত নয়।

বরং আপনার শরীরের জন্য এগুলো ক্ষতিকর দিক বয়ে নিয়ে আসবে।

পরিশেষে বলা যায়

লম্বা হওয়া অনেকটা বংশগত বিষয় বা জিনগত বিষয় হিসাবে কাজ করে থাকে। তবে সুস্থভাবে বা সঠিক উপায়ে লম্বা হওয়ার জন্য যদি আপনি চেষ্টা করে  থাকেন তবে কিছু না কিছু সময়  আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করবে। তো বন্ধুরা আজকের লম্বা হওয়ার উপায় নিয়ে লেখাটি ভালো লাগলে কমেন্ট শেয়ার করতে ভুলবেন না।

বিঃদ্রঃ Sylhetism ব্লগের কোন লেখায় তথ্যগত কোন ভুল থাকলে আমাদের Contact পেইজে সরাসরি যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো, আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য যাচাই করে লেখা আপডেট করে দিবো।

Sylhetism ব্লগের কোন স্বাস্থ বিষয়ক পোস্টের পরামর্শ নিজের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের মতামত নিবেন, আমরা স্বাস্থ বিষয়ে কোন বিশেষজ্ঞ না, আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ হচ্ছে সঠিক তথ্য পরিবেশন করা। সুতারাং কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায়ভার অবশ্যই আমরা নিতে পারবো না। ধন্যবাদ, ব্লগ কর্তৃপক্ষ।

You cannot copy content of this page